১০:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬, ২৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিংগারবিল বাজারে সংকীর্ণ ব্রিজ ও অবৈধ স্থাপনার কারণে চরম যানজট, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ।

ডেস্ক রিপোর্ট: দৈনিক সময়ের জবাব
  • Update Time : ০১:৪৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫
  • / ১৩৬ Time View

 

ডেস্ক রিপোর্ট দৈনিক সময়ের জবাব: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার সিংগারবিল বাজারের দক্ষিণ পাশে অবস্থিত একটি সংকীর্ণ ব্রিজ বছরের পর বছর ধরে যানজট সংকটের অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ১১টা এবং বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নিয়মিতভাবে যানজট লেগে থাকে এই সড়কে। এর ফলে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে স্কুলগামী কোমলমতি শিক্ষার্থীরা, গর্ভবতী নারী ও শিশুরা, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোক জনেরা এবং রোগীরা চরম বিপাক ও দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন তারা।

 

উল্লেখ যে, এই রাস্তাটি সরাসরি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে যাওয়ার একমাত্র রাস্তা হওয়ায়, অ্যাম্বুলেন্স চলাচলেও মারাত্মক ভোগান্তির সৃষ্টি হচ্ছে।

 

এই ছোট্ট ব্রিজটি যেন এক প্রকারের ‘মরণ ফাঁদে’ পরিণত হয়েছে। নিয়মিত দুর্ঘটনা ঘটলেও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন কর্তৃপক্ষের কোনো ভূমিকা ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি।

 

এছাড়া বাজারের আশেপাশে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকান ও স্থাপনাগুলো যানজট পরিস্থিতিকে আরও বিশাল জটিলতা পড়তে হচ্ছে জনগণ। স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনের পর দিন এসব অবৈধ স্থাপনা বেড়েই চলেছে, যা যান চলাচলের স্বাভাবিক গতি ব্যাহত করছে।

 

তারা আশঙ্কা করছেন, যদি দ্রুত এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ না করা হয় এবং সংকীর্ণ ব্রিজটি পুনর্নির্মাণ বা সংস্কার না করা হয়, তবে এই যানজট পরিস্থিতি আরও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।

 

বিশেষ করে প্রতি সপ্তাহে খরমপুর কেল্লা শহীদ গেছুদারাজ (রহ.) মাজারে ওরস মোবারক উপলক্ষে আগত ভক্তদের যাতায়াতের সময় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়েছে। শুধুমাত্র এই ব্রিজ এবং বাজারের অপরিকল্পিত ও অবৈধ স্থাপনার কারণেই প্রতিবারই সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজট।

 

এ বিষয়ে সিংগারবিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে জনদুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ সমস্যা সমাধানের লক্ষে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। তিনি বলেন, “সংকীর্ণ ব্রিজটি সংস্কারের লক্ষ্যে ঢাকা এলজিইডি অফিসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ইতোমধ্যে জমা দেওয়া হয়েছে। ইনশাআল্লাহ, অতি শীঘ্রই ব্রিজের সংস্কার কাজ শুরু হবে।”

 

স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত সমস্যা সমাধানে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

সিংগারবিল বাজারে সংকীর্ণ ব্রিজ ও অবৈধ স্থাপনার কারণে চরম যানজট, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ।

Update Time : ০১:৪৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫

 

ডেস্ক রিপোর্ট দৈনিক সময়ের জবাব: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার সিংগারবিল বাজারের দক্ষিণ পাশে অবস্থিত একটি সংকীর্ণ ব্রিজ বছরের পর বছর ধরে যানজট সংকটের অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ১১টা এবং বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নিয়মিতভাবে যানজট লেগে থাকে এই সড়কে। এর ফলে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে স্কুলগামী কোমলমতি শিক্ষার্থীরা, গর্ভবতী নারী ও শিশুরা, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোক জনেরা এবং রোগীরা চরম বিপাক ও দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন তারা।

 

উল্লেখ যে, এই রাস্তাটি সরাসরি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে যাওয়ার একমাত্র রাস্তা হওয়ায়, অ্যাম্বুলেন্স চলাচলেও মারাত্মক ভোগান্তির সৃষ্টি হচ্ছে।

 

এই ছোট্ট ব্রিজটি যেন এক প্রকারের ‘মরণ ফাঁদে’ পরিণত হয়েছে। নিয়মিত দুর্ঘটনা ঘটলেও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন কর্তৃপক্ষের কোনো ভূমিকা ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি।

 

এছাড়া বাজারের আশেপাশে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকান ও স্থাপনাগুলো যানজট পরিস্থিতিকে আরও বিশাল জটিলতা পড়তে হচ্ছে জনগণ। স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনের পর দিন এসব অবৈধ স্থাপনা বেড়েই চলেছে, যা যান চলাচলের স্বাভাবিক গতি ব্যাহত করছে।

 

তারা আশঙ্কা করছেন, যদি দ্রুত এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ না করা হয় এবং সংকীর্ণ ব্রিজটি পুনর্নির্মাণ বা সংস্কার না করা হয়, তবে এই যানজট পরিস্থিতি আরও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।

 

বিশেষ করে প্রতি সপ্তাহে খরমপুর কেল্লা শহীদ গেছুদারাজ (রহ.) মাজারে ওরস মোবারক উপলক্ষে আগত ভক্তদের যাতায়াতের সময় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়েছে। শুধুমাত্র এই ব্রিজ এবং বাজারের অপরিকল্পিত ও অবৈধ স্থাপনার কারণেই প্রতিবারই সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজট।

 

এ বিষয়ে সিংগারবিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে জনদুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ সমস্যা সমাধানের লক্ষে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। তিনি বলেন, “সংকীর্ণ ব্রিজটি সংস্কারের লক্ষ্যে ঢাকা এলজিইডি অফিসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ইতোমধ্যে জমা দেওয়া হয়েছে। ইনশাআল্লাহ, অতি শীঘ্রই ব্রিজের সংস্কার কাজ শুরু হবে।”

 

স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত সমস্যা সমাধানে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।